
https://middayopened.com/gyk9t557?key=7e861af915ac6bcff8b23149faa508ea
এতে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির দোষী সাব্যস্ত হওয়া বা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার কারণ ট্রাইব্যুনালের রায়ে উল্লেখ করতে হবে।
ট্রাইব্যুনাল আইনে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তার অপরাধের গুরুত্ব অনুপাতে ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড বা অন্য যে কোনো শাস্তি দিতে পারবে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামীম বিবিসি বাংলাকে বলেন, "আসামির অপরাধের সাথে সম্পৃক্ততা বা অপরাধের গভীরতা অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল যে কোনো শাস্তি দিতে পারবেন। মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারেন, আমৃত্যু কারাদণ্ড দিতে পারেন। এর চেয়ে কম বিভিন্ন মেয়াদের সাজাও দিতে পারে ট্রাইব্যুনাল"।
এতে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির দোষী সাব্যস্ত হওয়া বা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার কারণ ট্রাইব্যুনালের রায়ে উল্লেখ করতে হবে।
ট্রাইব্যুনাল আইনে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তার অপরাধের গুরুত্ব অনুপাতে ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড বা অন্য যে কোনো শাস্তি দিতে পারবে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামীম বিবিসি বাংলাকে বলেন, "আসামির অপরাধের সাথে সম্পৃক্ততা বা অপরাধের গভীরতা অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল যে কোনো শাস্তি দিতে পারবেন। মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারেন, আমৃত্যু কারাদণ্ড দিতে পারেন। এর চেয়ে কম বিভিন্ন মেয়াদের সাজাও দিতে পারে ট্রাইব্যুনাল"।
শেখ হাসিনার মামলায় প্রসিকিউশন সর্বোচ্চ সাজা চেয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামআজ সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা সর্বোচ্চ শাস্তি আদালতের কাছে প্রেয়ার করেছি। আদালত তার সুবিবেচনা প্রয়োগ করবেন এবং আমাদের পক্ষ থেকে প্রেয়ার হচ্ছে যে এই অপরাধের দায়ে আসামিদের যেন সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হয়"।
গণঅভ্যুত্থানের আগে, শেখ হাসিনার শাসনামলে এই ট্রাইব্যুনালের কয়েকটি রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরে কীভাবে তা কার্যকর করা হবে সেটিও রায়ে উল্লেখ করা দেওয়া হয়েছে।
"মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরে আবার বলে দিয়েছেন যেন ফায়ারিং স্কোয়াডে এক্সিকিউট করা হয়। এরকম কিছু জাজমেন্ট এই ট্রাইব্যুনালে ইতিপূর্বে আছে। সেটা অপরাধের গ্র্যাভিটি বা গভীরতা বোঝাতে গিয়ে ওনারা বুঝিয়েছেন," বলেন মি. তামীম।
তবে গণঅভ্যুত্থানের পরে পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর হিসেবে মি. তামীম এখনো এ ধরনের কোনো আবেদন করেননি বলে জানান।
অপরাধের গভীরতার ওপর নির্ভর করে মৃত্যুদণ্ড অথবা বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়ার বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের এখতিয়ার বলে উল্লেখ করেন এই প্রসিকিউটর।
এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এই আইনে একটি সংশোধনী এনে আসামির সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
এই সংশোধনীর ফলে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ট্রাইব্যুনাল তার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিতে পারবে।
একইসাথে, ওই সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত বা ভুক্তভোগী বা তার পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশও দিতে পারবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউটর মি. তামীম জানান, তারা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মামলায় সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়ার আবেদন করেছেন।
এছাড়া এই আইনে কোনো রাজনৈতিক দল, অঙ্গসংগঠন বা সমর্থক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিচার করার এখতিয়ার থাকলেও সাজার বিধান ছিল না।
অন্তর্বর্তী সরকার গত ১০ই মে ওই আইনে দণ্ড বা সাজার বিধান যুক্ত করে সংশোধনী এনে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
ওই সংশোধনীর ফলে ট্রাইব্যুনাল এখন সংগঠনের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা, কার্যক্রম স্থগিত, নিষিদ্ধ বা সাময়িক নিষিদ্ধসহ নানা ধরনের শাস্তি দিতে পারবে।
Comments
Post a Comment