Skip to main content

Featured

আগামীর স্বপ্নসারথী

ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যনেত্রকোনা জেলা ঐতিহাসিকভাবেই প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির চারণভূমি। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে নেত্রকোনার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অসামান্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন। এই মাটির সন্তানরাই যুগে যুগে গণতন্ত্রের পক্ষে এবং শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছেন। এই জেলার মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতা অত্যন্ত প্রখর, যা সুস্থ ধারার রাজনীতির অন্যতম ভিত্তি। . তারুণ্য ও পরিবর্তনের ডাক"নেত্রকোনার মাটি ও মানুষ আমার শক্তি। রাজনীতি মানে কেবল ক্ষমতা নয়, রাজনীতি মানে মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন। আমি এমন এক নেত্রকোনা গড়তে চাই, যেখানে একজন তরুণ কর্মসংস্থানের সন্ধানে যেন পথ না হারায়। আমি শুধু আপনাদের প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং আপনাদেরই একজন হয়ে আগামীর সমৃদ্ধ নেত্রকোনা বিনির্মাণের লড়াইয়ে পাশে থাকতে চাই।" উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন:"আমাদের নেত্রকোনা আজ আর অবহেলিত নয়। শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ আমাদের শিক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এখন আমাদের লক্ষ্য—এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশ্বমানের করে তোলা এবং হাওরের কৃষকের উৎপাদিত...

যুক্তরাষ্ট্র নিউইয়র্ক সিটির ইতিহাসে প্রথম মুসলিম মেয়র হলেন জোহরান মামদানি

নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে জিতলেন প্রথম মুসলিম ও ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জোহরান মামদানি নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে জিতলেন প্রথম মুসলিম ও ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জোহরান মামদানিছবি: রয়টার্স ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জোহরান মামদানি গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নিউইয়র্ক সিটির ১১১তম মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সাবেক গভর্নর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যান্ড্রু কুমো ও রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়াকে পরাজিত করে ইতিহাস গড়েছেন তিনি। এ জয়ের মধ্য দিয়ে মামদানি শহরটির প্রথম মুসলিম মেয়র নির্বাচিত হলেন। মামদানি হচ্ছেন প্রথম দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত এবং আফ্রিকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথম মেয়র। শুধু তাই নয় এক শতাব্দীর মধ্যে মামদানি হচ্ছেন সবচেয়ে কনিষ্ঠ মেয়র। নিউইয়র্ক সিটির বর্তমান মেয়র এরিক অ্যাডামসও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য লড়াই করছিলেন। তবে গত সেপ্টেম্বরে নির্বাচনী দৌড় থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। উল্লেখ্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে স্থানীয় সময় গতকাল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় আজ বুধবার ভোর ৫টা) আনুমানিক ১৭ লাখ মানুষ ভোট দিয়েছেন বলে জানিয়েছে শহরের নির্বাচন বোর্ড। গত ৩০ বছরের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি। ১৯৯৩ সালের নির্বাচনে প্রায় ১৯ লাখ ভোটার ভোট দিয়েছিলেন। সেই নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী রুডি জুলিয়ানি ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ডেভিড ডিনকিনসকে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবারের নির্বাচনে প্রায় ৭ লাখ ৩৫ হাজার ৩১৭ জন আগাম ভোট দিয়েছেন, যা প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনো নির্বাচনে নিউইয়র্ক শহরে এটিই সর্বোচ্চ আগাম ভোট পড়ার ঘটনা।

Comments