Skip to main content

Featured

আগামীর স্বপ্নসারথী

ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যনেত্রকোনা জেলা ঐতিহাসিকভাবেই প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির চারণভূমি। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে নেত্রকোনার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অসামান্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন। এই মাটির সন্তানরাই যুগে যুগে গণতন্ত্রের পক্ষে এবং শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছেন। এই জেলার মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতা অত্যন্ত প্রখর, যা সুস্থ ধারার রাজনীতির অন্যতম ভিত্তি। . তারুণ্য ও পরিবর্তনের ডাক"নেত্রকোনার মাটি ও মানুষ আমার শক্তি। রাজনীতি মানে কেবল ক্ষমতা নয়, রাজনীতি মানে মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন। আমি এমন এক নেত্রকোনা গড়তে চাই, যেখানে একজন তরুণ কর্মসংস্থানের সন্ধানে যেন পথ না হারায়। আমি শুধু আপনাদের প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং আপনাদেরই একজন হয়ে আগামীর সমৃদ্ধ নেত্রকোনা বিনির্মাণের লড়াইয়ে পাশে থাকতে চাই।" উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন:"আমাদের নেত্রকোনা আজ আর অবহেলিত নয়। শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ আমাদের শিক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এখন আমাদের লক্ষ্য—এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশ্বমানের করে তোলা এবং হাওরের কৃষকের উৎপাদিত...

অনশনরত তারকের পাশে বিএনপির মুখপাত্র।

সম্মানিত দেশবাসী, আম জনতা পার্টির নিবেদিতপ্রাণ সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীবৃন্দ! আজ আমরা এক বেদনাদায়ক দৃশ্যের সাক্ষী। আমাদের দলের সংগ্রামী সদস্য সচিব, জনাব মো. তারেক রহমান, গণতন্ত্রের মৌলিক অধিকার—একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন পাওয়ার ন্যায্য দাবি আদায়ে ইসির সামনে অনশনে বসেছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পার হচ্ছে, আর তারেকের প্রতিটি মুহূর্তের কষ্ট আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটাচ্ছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই: আমাদের দাবি কোনো করুণা নয়, এটা সাংবিধানিক অধিকারের প্রশ্ন! আমরা সম্পূর্ণ বৈধভাবে, আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণের জন্য কাজ করতে চেয়েছি। 'আম জনতা পার্টি' কোনো রাতের আঁধারের সৃষ্টি নয়; এটি দেশের মেহনতি, শোষিত ও বঞ্চিত সাধারণ মানুষের অধিকারের প্ল্যাটফর্ম। অথচ, নির্বাচন কমিশন বারবার নানা অজুহাত দেখিয়ে আমাদের নিবন্ধন আটকে রেখেছে। এটি কিসের ইঙ্গিত? এটি কি এই বার্তা দেয় না যে, দেশে নতুন রাজনৈতিক শক্তিকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না? এটি প্রমাণ করে, ইসি একটি বিশেষ গোষ্ঠীর রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত আজ আমাদের তারেক রহমান যে আত্মত্যাগ করছেন, তা শুধু দলের নিবন্ধনের জন্য নয়। তাঁর এই অনশন হলো: দেশের হাজারো রাজনৈতিক কর্মী এবং নতুন দলের প্রতি হওয়া অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। গণতন্ত্রের নামে চলমান প্রহসনের মুখে এক নীরব অথচ শক্তিশালী আঘাত। আমরা তারেকের এই বলিষ্ঠ পদক্ষেপকে স্যালুট জানাই। আপনার এই একার লড়াইয়ে আমরা আম জনতা পার্টির প্রত্যেকটি কর্মী আপনার পাশে ইস্পাত কঠিন ঐক্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। আপনার শরীরের প্রতিটি কষ্টের ভার আমরা ভাগ করে নিচ্ছি। আমরা অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনকে বলতে চাই: আর বিলম্ব নয়! এই অন্যায্য সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করুন। আম জনতা পার্টির নিবন্ধন দ্রুত নিশ্চিত করুন। একটি রাজনৈতিক দলের জন্ম দেওয়ার অধিকারকে এভাবে পদদলিত করার চেষ্টা করবেন না। নইলে, এই অনশনের পরিণতিতে যে গণ-অসন্তোষ সৃষ্টি হবে, তার দায়ভার সম্পূর্ণ আপনাদের ওপর বর্তাবে। প্রিয় দেশবাসী, গণতন্ত্রের প্রশ্নে কোনো আপস হতে পারে না। আমরা শান্তি চাই, কিন্তু সম্মান ও অধিকারের বিনিময়ে। আসুন, আমরা সবাই একযোগে এই ন্যায়সঙ্গত দাবির পক্ষে আওয়াজ তুলি। আমাদের তারেকের জীবন ও অধিকার রক্ষায় সবাই যার যার অবস্থান থেকে আওয়াজ তুলুন। জয় হোক গণতন্ত্রের, জয় হোক আম জনতা পার্টির

Comments