Skip to main content

Featured

আগামীর স্বপ্নসারথী

ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যনেত্রকোনা জেলা ঐতিহাসিকভাবেই প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির চারণভূমি। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে নেত্রকোনার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অসামান্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন। এই মাটির সন্তানরাই যুগে যুগে গণতন্ত্রের পক্ষে এবং শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছেন। এই জেলার মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতা অত্যন্ত প্রখর, যা সুস্থ ধারার রাজনীতির অন্যতম ভিত্তি। . তারুণ্য ও পরিবর্তনের ডাক"নেত্রকোনার মাটি ও মানুষ আমার শক্তি। রাজনীতি মানে কেবল ক্ষমতা নয়, রাজনীতি মানে মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন। আমি এমন এক নেত্রকোনা গড়তে চাই, যেখানে একজন তরুণ কর্মসংস্থানের সন্ধানে যেন পথ না হারায়। আমি শুধু আপনাদের প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং আপনাদেরই একজন হয়ে আগামীর সমৃদ্ধ নেত্রকোনা বিনির্মাণের লড়াইয়ে পাশে থাকতে চাই।" উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন:"আমাদের নেত্রকোনা আজ আর অবহেলিত নয়। শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ আমাদের শিক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এখন আমাদের লক্ষ্য—এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশ্বমানের করে তোলা এবং হাওরের কৃষকের উৎপাদিত...

ছিয়াত্তরের মনন্তর কি ছিল?

ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনামলে ভুমি রাজস্ব ব্যবস্হায় মধ্যস্বত্বভোগীর কোন স্হান ছিল না। তাঁর পূর্বে হিন্দু শাসনামলে ও একই অবস্হা ছিল। তৎকালীন সময়ে সরকার গ্রামের মাতব্বরের সহায়তায় সরাসরি কৃষকদের সাথে যোগাযোগ রাখতো। অবশ্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম ঘটে।।। আরও ১. কোন কোন হিন্দু রাজা তাদের নির্ধারিত এলাকা স্বাধীনভাবে নিয়ন্ত্রণ করত। ২.কোন কোন সরকারি কর্মচারীকে বেতন না দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় রাজস্ব আদায়ের অনুমতি দিতেন। ৩.কোন কোন ক্ষেত্রে গ্রামের মাতুব্বরের উপর নির্ভর না করে সরকারি কর্মচারী সরাসরি গ্রামের কৃষকদের সাথে যোগাযোগ করে রাজস্ব আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা রাখতেন ইত্যাদি। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিল্লির মোগল সম্রাট শাহ আলমের নিকট বার্ষিক মাত্র ২৬ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বাংলা,বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব আদায় করার অধিকার লাভ করে এবং কোম্পানির উদ্দেশ্য ছিল এ দেশ থেকে মুনাফা লুন্ঠন করা। অতঃপর অল্প কিছুদিনের মধ্যে শুরু হয় লুটপাট ও ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জন।কোম্পানির ব্যবস্হাপনা ও অনিয়মের কারণে কৃষকগোষ্ঠী দারুণ সংকটের মধ্যে পড়তে থাকে,, একদিকে যেমন খরা, দুর্ভিক্ষ অন্যদিকে কোম্পানির লুটপাট,,, যা পরবর্তী সময়ে বাংলা সন ১১৭৬.. আজ আমরা https://middayopened.com/ur479zi5?key=560972d2f631366fefca59b5a14a5c08 নামে পরিচিত। অতঃপর ভুমি ব্যবস্হাপনায় স্হায়ী করাচী জন্য বিত্তবানদের মধ্যে একশালা,পাঁচ শালা ও দশসালা বন্দোবস্ত করে।কিন্তু এতে তারা ব্যর্থ হয়।তখন তৎকালীন গভর্নর লর্ড কর্ণওয়ালিস ভুমি রাজস্ব ব্যবস্হাপনায় নতুন এক প্রস্তাব ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি র নিকট পেশ করেন।উক্ত প্রস্তাবটি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ১৭৯৩ইং সালে গৃহীত হয়,, এটাই" চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে " যা আজ পর্যন্ত ধাপ্পাবাজি। এই ব্যবস্হার মাধ্যমে বিত্তবানদের নির্দিষ্ট এলাকার ভুমি চিরদিনের জন্য মালিকানা স্বত্ব দেয়া এবং রাজস্ব প্রদান করতে হয়।। পরিশেষে রাজস্ব প্রদানের মাধ্যমে বংশ পরম্পরায় সারাজীবন ভোগ করতে পারবে।।। ফ্যাক্ট:: জমির সুষম বন্টন।।

Comments