<script async="async" data-cfasync="false" src="https://middayopened.com/14ca2ad0b1cd4c6967a1ec27caa8b78b/invoke.js"></script>
<div id="container-14ca2ad0b1cd4c6967a1ec27caa8b78b"></div>
ভাটি বাংলার ১৯৭৮ সালে আমার জন্মস্থান গ্রাম-গাজিপুর,খালিয়াজুড়ি ও মদন থানার নোম্যানসল্যান্ডে চৌধুরী বাড়ি নামে পরিচিত যেখানে নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলাধীন এই ঐতিহ্যবাহী বাড়িটি হলো গাজিপুর চৌধুরী বাড়ি,, জন্ম বেড়ে ওটা জীবন, তখনকার সময়ে ১৯৮৮ সাল বন্যায় ব্যাপক
ক্ষয়ক্ষতি হয় , তখন আল্লাহতাআলা সাহায্যের মাধ্যমে জয়বাংলা বাজারে ত্রানসামগ্রী পৌঁছে ব্যক্তিগত উদ্যোগে,, কৌতহলি মন খোঁজ নেয়ার পর জানতে পারলাম
বাবর ভাই নামে একজন ব্যাক্তি, ত্রানের উপকরণ হিসেবে রেড কাউ/ ডানো দুধের পট বিতরন করতে,, সেকাল থেকে জানার পর এই মহান ব্যক্তির প্রেমে/ভালবাসা জমে নিজের মধ্যে,, এর মধ্যে ১৯৯৪ সালে মেট্রিক পাস করি এবং ১৯৯৫-১৯৯৬ সালে
নেত্রকোনা সরকারি কলেজে ভর্তি হই, এবং বাবর ভাই সম্পর্কে আস্তে আস্তে জানার পরিধি বেড়ে গেল। পরবর্তী সময়ে কলেজ জীবনে কলেজ সংসদ নির্বাচন এর মাধ্যমে বিএনপি এবং আলীগ রাজনৈতিক চিন্তা মাথায় আসতে থাকে,,সেসময় থেকে জনাব লুৎফুজ্জামান বাবর এর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ধানের শীষ প্রতীক নির্বাচন করি,,এভাবেই বিএনপির সাথে যুক্ত হয়ে যাই।অতঃপর ১৯৯৬ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এর মধ্যে আলীগ যখন ক্ষমতা লাভ করে, তখন সারা দেশ তান্ডব এর মধ্যে মদন থানায় সভা সমাবেশ বন্ধ করে দেয়, সেই দিন প্রিয় নেতা উপস্থিত ছিলেন সমাবেশ করার তৎকালীন ওসি ১৪৪ ধারা জারি হয় এবং লুৎফুজ্জামান বাবর ভাইয়ের সাহসী ভুমিকায় ১৪৪ ধারা ভংগ করে দেই,, সেদিন সৌভাগ্য হয়েছিল বাবর ভাইয়ের সাহসী ভুমিকা বুলেট এর সামনে আমরা সকলেই দাড়িয়ে,, নেতার এমন আদর্শই ভাটি বাংলার জনগণকে সম্পৃক্ত করেছে যাহা আজকের বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে,,,এমন নেতার সর্বাঙ্ঘীন সাফল্য কামনা করি।।
আরও,,,
১৯৯৬ সালের সেই উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিলে অংশগ্রহণ করা একটি সাহসী এবং উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল।
লুৎফুজ্জামান বাবরের পক্ষে সেই ঘটনার একটি বস্তুনিষ্ঠ বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো:
সাহসিকতা ও নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: ১৯৯৬ সালের সেই মিছিল
১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ছিল অত্যন্ত জটিল এবং উত্তেজনাকর। সেই সময়ে নেত্রকোনা ও এর আশেপাশের এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচির ওপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করে সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু জনগণের অধিকার আদায় এবং রাজনৈতিক লক্ষ্য পূরণে লুৎফুজ্জামান বাবর ছিলেন আপসহীন।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও বর্ণনা
সেই প্রতিকূল পরিবেশে
আতিকুল্লাহ চৌধুরীসহ অন্যান্য নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের সাথে নিয়ে লুৎফুজ্জামান বাবর রাজপথে নেমে আসেন। প্রশাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার সিদ্ধান্তটি ছিল অত্যন্ত সাহসী।
সংগ্রামের সূচনা: আতিকুল্লাহ চৌধুরীর মতো লড়াকু সৈনিকদের পাশে নিয়ে বাবর যখন মিছিল শুরু করেন, তখন তা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি করে।
নেতৃত্বের দৃঢ়তা: ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও মিছিলটি যখন সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, তখন তা কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না; বরং তা হয়ে উঠেছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদ।
ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা: আতিকুল্লাহ চৌধুরী এবং লুৎফুজ্জামান বাবরের এই যৌথ অবস্থান প্রমাণ করেছিল যে, নেতৃত্বের প্রতি কর্মীদের অবিচল আস্থা থাকলে যেকোনো বাধা অতিক্রম করা সম্ভব।
তাৎপর্য
এই ঘটনার মাধ্যমে লুৎফুজ্জামান বাবর তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং রাজপথের লড়াকু নেতার পরিচয় দিয়েছিলেন। কর্মীদের সাথে নিয়ে সরাসরি মাঠ পর্যায়ে বাধা অতিক্রম করার এই প্রবণতা তাকে নেত্রকোনার রাজনীতিতে এক শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যায়। আতিকুল্লাহ চৌধুরীর সেই সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল এই আন্দোলনের অন্যতম চালিকাশক্তি।
সারকথা: ১৯৯৬ সালের সেই মিছিলটি ছিল মূলত ভয়কে জয় করার গল্প। লুৎফুজ্জামান বাবরের সেই সাহসী নেতৃত্বে আতিকুল্লাহ চৌধুরীর মতো কর্মীদের অবদান রাজপথের ইতিহাসে অমলিন হয়ে থাকবে।
Comments
Post a Comment